শিরোনাম:
ঢাকা, রবিবার, ১৩ জুন ২০২১, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮
Songjog24
শনিবার ● ১৯ জানুয়ারী ২০১৯
প্রচ্ছদ » অন্যান্য » ফার্মাসিস্টরা উন্নত বিশ্বের সাথে দেশের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করছে
প্রচ্ছদ » অন্যান্য » ফার্মাসিস্টরা উন্নত বিশ্বের সাথে দেশের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করছে
৫১৯ বার পঠিত
শনিবার ● ১৯ জানুয়ারী ২০১৯
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

ফার্মাসিস্টরা উন্নত বিশ্বের সাথে দেশের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করছে

সংযোগ টয়েন্টিফোর, স্বাস্থ্য ডেস্ক;

ফাইল ছবিবাংলাদেশ সকল সেক্টরের সাথে সাথে স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়ন অব্যহত। সেই স্বাস্থ্যখাতে শুধু চিকিৎসকরা বা নার্সরাই শুধু কাজ করেছেন তা কিন্তু নয়। ফার্মাসিস্টরাও এর সাথে সম্পৃক্ত। কিন্তু এখনও পর্যন্ত ফার্মাসিস্টরা তাদের পেশার কথা সাধারন মানুষের কাছে গ্রহনযোগ্য করে তুলতে পারেনি। বলছিলেন, বাংলাদেশ ফার্মাসিস্টস্ ফোরামের সাধারন সম্পাদক সাদেক আহম্মেদ সৈকত।

সাদেক আহম্মেদ সৈকত জানান, ফার্মাসিস্টরা এখন আর বাংলাদেশের ঔষধ শিল্প নিয়ে ভাবে না। ফার্মাসিস্টরা মানুষের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করছে কিছু কিছু হাসপাতাল ক্লিনিকে , হসপিটাল ক্লিনিক্যাল ফার্মাসিস্ট হিসেবে কাজ করে।

তিনি বলেন, দুঃখজনক হলেও সত্যি ফার্মাসিস্টরা সাধারন মানুষের কাছে পরিচিত একজন সাধারন ফার্মেসি দোকানদার হিসেবে। সেটা কোন গ্রেড ফার্মাসিস্ট সেটা মূখ্য বিষয় নয়। তবে এক্ষেত্রে আমি বলবো ডিপ্লোমা অথবা সি গ্রেড ফার্মাসিস্টদের স্বার্থকতা । তারা তাদের আসল প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন। সাধুবাদ তাদের প্রাপ্য। কিন্তু আমার প্রশ্ন হচ্ছে এ গ্রেড ফার্মাসিস্টদের পার্থক্য কি আমরা তুলে ধরতে পেরেছি? এ গ্রেড ফর্মাসিস্টদের প্রয়োজনীয়তা কি আমরা তুলে ধরতে পেরেছি? চিকিৎসকদের মধ্যেও বিভিন্ন বিভাগের চিকিৎসক (এম বি বি এস, ডিপ্লোমা, গ্রাম্য) আছেন। সবার পরিচয় চিকিৎসক। তারা যার যেখানে থাকার কথা সেখানে রয়েছে। তারা সেই কাজের সাথে সম্পৃক্ত। আমার মনে হয় আমাদের এ গ্রেড ফার্মাসিস্টরা জানিনা আমাদের আসল জায়গা কোনটি। মূলত আমাদের মধ্যে ইগো ধরিয়ে দেয়া হয়েছে , তোমরা তো এ গ্রেড ফার্মাসিস্ট। তোমরা ডাক্তারদের থেকে কম নাকি। আমি একমত এই যুক্তির সাথে। কিন্তু এটা হলো ইগো সৃষ্টি করে দেয়া। সুচিন্তার অভাব। কারন আমি মনে একটি সেক্টরে একজন অপর জনের পরিপূরক। তাই আপনি কাউকে প্রতিদ্বন্দ্বী ভেবে অবস্খান তৈরি করতে পারবেন না।

প্রকৃত স্বাস্থ্যখাত নিশ্চিত করার জন্য অবশ্যই এ গ্রেড ফার্মাসিস্ট দরকার। সেটা মনেহয় আমাদের পূর্বসূরীরা আমাদের জন্য করে যেতে পারেননি।

তিনি আরো বলেন, ভালো নেতৃত্ব ও সুযোগ সন্ধানী সরকারগুলো আমাদের পেশা নিয়ে ছেলে খেলা করেছে। ফার্মাসিস্টদের প্রয়োজনীয়তা সাধারণ মানুষ কখনো বুঝতেই পারেনি। তাদের স্বার্থান্বেষী মনোভাব আমাদের যথোপযুক্ত কর্মস্থানে যেতে দেয়নি। আসলে ঐ সব স্বৈরশাসকরা কখনো আমাদের স্বাস্থ্যখাত নিয়ে ভাবেনি। স্বাস্থ্যসেবা নি:শ্চিত করতে মানুষকে ভালোবাসতে হয়। ক্ষমতার লোভে তারা দিশেহারা ছিলো। তাই মানব সেবার সেবক না হয়ে তারা ছিলো মানুষ মারার মেশিন। অনেক ত্যাগের পর যখন মানব কল্যানের সরকার আসলো । তখন তারা ফার্মাসিস্টদের প্রয়োজনীয়তার কথা ভাবলেন। ফার্মাসিস্টরা তাদের সত্যিকারের পরিচয়ের স্বারক হিসেবে , সনদ দিয়ে শুরু করেছেন যাত্রা । সেখানেও গা জ্বালা দিয়ে উঠেছেন ঐ ঘাতকরা যারা অন্যায়ভাবে রাষ্ট্রক্ষমতায় অসিন ছিলো। তাদের রেখে যাওয়া পালিত পশু গুলো। তারা এখন ছড়াচ্ছেন এই রেজিষ্ট্রেশন সনদ দিয়ে কি হবে? তারা সরকারের উন্নয়নের ধারাকে ব্যাহত করার জন্য ফার্মাসিস্টদেরকে হাতিয়ার হিসেবে নিয়েছে। তার কিছু অংশ এখনও ফার্মাসিস্টদের নেতৃত্বে রয়েছে। সরকার স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে যখন প্রয়োজন অনুভব করলেন ফার্মাসিস্টটদের দরকার তখন ২০১৮ সালে ফার্মেসি পেশা কে গেজেট এর মধ্যে নবম গ্রেডে অন্তর্ভুক্ত করলেন। গন মানুষের সরকার মানুষের প্রয়োজনের কথা ভাবেন। তারা উন্নত বিশ্বের সাথে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করছেন। গেজেট পাশ হয়েছে এখন শুধু অপেক্ষা বাস্তবায়ন। আমাদের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী মানুষের কথা ভাবেন। তারই ধারাবাহিকতায় আজকের ফার্মাসিস্টদের এই অবস্থান।

সাদেক আহম্মেদ সৈকত বলেন, পৃথিবীর কোন ক্ষেত্রেই কেউ আপনাকে সুযোগ তৈরি করে দেয় না। আপনাকে নিজের অবস্থানের কথা আগে মানুষকে বুঝাতে হবে। আপনার প্রয়োজনীতা বুঝাতে হবে। জানান দিতে হবে আপনার বলিষ্ঠ ভূমিকা। আমি মনেকরি তরুন ফার্মাসিস্টরা হসপিটাল ফার্মাসিতে কাজ করবে; যে স্বপ্ন দেখতে তরুন ফার্মাসিস্টরা ভয় পেতো। আমি আশাকরি সেটি আজ বাস্তবে রূপদিবে মানব কল্যানের সরকার , বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রনালয়ের মাননীয় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী জনাব জাহেদ মালেক ও ডা: মুরাদ হাসান। আমার বিশ্বাস আপনাদের হাত ধরেই ফার্মাসিস্টরা পাবে তাদের সঠিক কর্ম সংস্থান। বাংলাদেশের মানুষ পাবে সত্যিকারের মানব সেবা।



আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)