শিরোনাম:
ঢাকা, শনিবার, ১৯ জুন ২০২১, ৪ আষাঢ় ১৪২৮
Songjog24
শুক্রবার ● ১১ জানুয়ারী ২০১৯
প্রচ্ছদ » ক্ষুদে সাংবাদিক » একজন সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ও দু’চারটি কথা
প্রচ্ছদ » ক্ষুদে সাংবাদিক » একজন সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ও দু’চারটি কথা
৬১৩ বার পঠিত
শুক্রবার ● ১১ জানুয়ারী ২০১৯
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

একজন সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ও দু’চারটি কথা

সংযোগ টোয়েন্টিফোর, সিটিজেন জার্নালিজম:

---শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ-

(১) সেশন জটের কারনে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় শেষ করতে ৫/৭ বছর লেগে যেতো।

সেখানে মাত্র ৪ বছরেই অনার্স শেষ করার ব্যবস্থা তিনি করেছেন। এখন আর কোন সেশন জট নাই।

(২) তার হাত ধরেই বছরের প্রথম দিনে বিনামূল্যে প্রথম শ্রেনী থেকে দশম শ্রেনী পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের রঙিন বই সরবরাহ করা শুরু হয়।

যা তৃতীয় বিশ্বে বিরল রেকর্ড ।

(৩) প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের প্রায় ৭৮ লাখ এবং মাধ্যমিক স্তরে প্রায় ৪০ লাখ শিক্ষার্থীকে উপবৃত্তি প্রদান করেছেন।

শুধু কি তাই? শিক্ষার্থীদের মায়েদের জন্য ভাতা প্রদানের উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি।সম্প্রতি সংযুক্ত ইবতেদায়ী মাদরাসার শিক্ষার্থীদের ও উপবৃত্তি দেয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত করিয়েছেন।

(৪) বলতে গেলে শুরু থেকেই ষড়যন্ত্রের স্বীকার ছিলেন তিনি।

ওয়ান ম্যান আর্মি হিসেবেই তিনি সব কিছু মোকাবিলা করেছেন। যার ফলে ২০১৮ সালে মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় কোন প্রশ্ন পত্র ফাঁস হয়নি।

(৫) হাজারো ট্রলের মধ্যে শিক্ষায় অসাধারণ ভূমিকা ও অবদানের জন্য ‘World Education Congress Global Award for outstanding contribution to Education’ পদকে ভূষিত করা হয় তাকে। যেটা তিনি অর্জন করেন প্রথম বাংলাদেশী শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে।

৬) সহশিক্ষা কার্যক্রম কে কার্যকর করার জন্য তিনি রাব বছর বন্ধ হয়ে থাকে শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের সবথেকে বড় কার্যক্রম শিক্ষা সপ্তাহ পুর্নচলন করেন।  এবং বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে দেশ সেরাদের সর্নপদক প্রদান করে থাকেন।

৭) সৃজনশীল প্রভিভাবে জাগ্রত করার জন্য তিনি সৃজনশীল মেধা অন্বেষন প্রতিযোগিতার আয়োজন করেন

৮) তার প্রচেষ্টায় আমরা আমতলী বাসী আমতলীতে পেয়েছি ট্যাকনিক্যাল কলেজ

---কাছ থেকে দেখেছি স্যার কে তিনি সত্যিই এক সাদা মনের মানুষ। যেকোনো প্রোগ্রামে গিয়ে আগে প্রত্যেক অডিয়েন্সের সাথে কুসল বিনিময় করে তারপর মঞ্চে যেতেন। মনে হতো সব অডিয়েন্স তার পরিচিত। ২০১৬ এর শিক্ষা সপ্তাহ এর প্রোগ্রামে যখন দেশ সেরা হিসেবে পুরুস্কার নিচ্ছিলাম তখন স্যারকে বলেছিলাম স্যার আমি সর্ব দক্ষিনের জেলা থেকে এসেছি স্যার তখন নিজেই আমাদের সাথে আলাদা ছবি তুলেছিলেন। সত্যিই একজন ভালো মানুষ ছিলেন! প্রকৃতির নিয়ম আজ মেনে নিচ্ছি।

তবে হ্যা প্রকৃতির চরম সত্যকে মেনে নিতে গিয়ে দুঃখ পেলেও আজ আমরা হতাশ হচ্ছি না। কারন জাতির অগ্নি কন্যা, মাবতার বিশ্ব মাতা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যৌক্তিক সিদ্ধান্তের ফলেই আমরা সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ কে শিক্ষা মন্ত্রী হিসেবে পেয়েছিলাম ঠিক সেই পথে পদাঙ্ক অঙ্কিত করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বাস্তবতার সাথে তাল মিলিয়ে অন্য একটি যথার্থ সিদ্ধন্তের মাধ্যমে ডা. দিপু মনিকে আজ আমরা মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে পেয়েছি। আশা করি প্রধানমন্ত্রী যে আস্থা ও বিশ্বাস নিয়ে তাকে দায়িত্ব দিয়েছেন তা পালনের জন্য সে যথাসাধ্য চেষ্টা করবে। আমাদের জন্য শিক্ষাক্ষেত্রে আরো উচ্চতর সাফল্য অপেক্ষা করছে। আশা করি নব নিযুক্ত শিক্ষামন্ত্রী আমাদের নির্বাচনি ইশতেহারের ২১ অঙ্গীকারের মধ্যে শিক্ষার মান উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ কে উন্নত দেশের সারিতে নিয়ে যাবে বেশ অল্প কিছুদিনের মধ্যেই।  তবে আজ আমি গর্বিত কারন দীপু মনির শিক্ষামন্ত্রী হওয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশে একটি নতুন ইতিহাস সৃষ্টি হতে যাচ্ছে। বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের দেশের স্বাধীনভাবে পথচলা শুরু হওয়ার ৪৭ বছর পর এই প্রথম কোনো নারী শিক্ষামন্ত্রী হচ্ছেন।

লেখক : রাফি তালুকদার (ছাত্র)



আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)