শিরোনাম:
ঢাকা, রবিবার, ১৩ জুন ২০২১, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮
Songjog24
বুধবার ● ৯ জুন ২০২১
প্রচ্ছদ » ক্রিকেট » অজেয় প্রাইম দোলেশ্বর
প্রচ্ছদ » ক্রিকেট » অজেয় প্রাইম দোলেশ্বর
২১ বার পঠিত
বুধবার ● ৯ জুন ২০২১
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

অজেয় প্রাইম দোলেশ্বর

সংযোগ টোয়েন্টিফোর:

---
বৃষ্টি থামার পর শুরু হলো চার-ছক্কার বৃষ্টি। ছয় ওভারে নেমে আসা ম্যাচে সে বৃষ্টি ঝরল প্রাইম দোলেশ্বরের দুই ওপেনার ইমরানুজ্জামান ও শামীম হোসেনের ব্যাটে। kalerkanthoতাতে মাত্র ২.৪ ওভারেই দল ৫০ পেরিয়ে যাওয়ার পর অবশ্য রান সংগ্রহ গতি হারাল কিছুটা। তবুও তাঁদের ৭৮ রান মোহামেডানের জন্য ‘বহু দূরের পথ’ বলেই প্রমাণিত হলো। ২২ রানের হার তো বলছে সে কথাই! আগের দিন আবাহনী ও মোহামেডানের হারে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে পৌঁছে যাওয়া দোলেশ্বর পাঁচ ম্যাচে টানা চতুর্থ জয়ে (একটি ম্যাচ বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত) তাই শীর্ষস্থান মজবুত করল আরো। সমান সংখ্যক ম্যাচে মোহামেডানের টানা দ্বিতীয় হারের দিন অবশ্য জয়ে ফিরেছে আবাহনী। এর আগেও দুই ম্যাচে জয়ের নায়ক মুশফিকুর রহিম চলতি ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে (ডিপিএল) করলেন তাঁর প্রথম ফিফটি। ফিফটির দেখা পেলেন রানে না থাকা মোসাদ্দেক হোসেনও। তাঁদের অবিচ্ছিন্ন ১০৫ রানের জুটিতে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সকে অনায়াসে ৭ উইকেটে হারিয়ে পাঁচ ম্যাচে চতুর্থ জয় তুলে নিল বর্তমান চ্যাম্পিয়নরাও।

টানা তিন ম্যাচ জেতা মোহামেডানকে আগের দিন হারানো শেখ জামাল ধানমণ্ডি অবশ্য কাল উড়ে গেল রনি তালুকদারের ব্যাটে। তাঁদের ৭ উইকেটে হারিয়ে পাঁচ ম্যাচে চতুর্থ জয় তুলে নিল প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব। ১ রানে ৩ উইকেট নিয়ে বাঁহাতি স্পিনার নাবিল সামাদ লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জকে দেখালেন প্রথম জয়ের মুখ। ১২ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে তাঁরা ১৪ রানে হারিয়েছেন শাইনপুকুরকে। দলের বিপর্যয়ে ব্যাট হাতে ফিফটি করে ত্রাণকর্তা রাহাতুল ফেরদৌস এরপর বাঁহাতি স্পিনেও দেখালেন ঝলক, নিলেন ৪ উইকেট। তাঁর অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে পারটেক্সকে ৩৩ রানে হারিয়ে পাওয়া তৃতীয় জয়ে ব্রাদার্স পয়েন্ট তালিকায় জায়গা করে নিল দোলেশ্বর, প্রাইম ব্যাংক ও আবাহনীর ঠিক পরেই। আগের দিন আবাহনীকে হারিয়ে উল্লাস করা খেলাঘর পরদিনই ডুবল ওল্ড ডিওএইচএসের কাছে ১৬ রানে হারের বেদনায়।

বিকেএসপিতে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা ইমরানুজ্জামান (১৪ বলে দুই চার ও পাঁচ ছক্কায় ৪১) ও শামীম (১৬ বলে এক চার ও দুই ছক্কায় ২৯*) ঝড় বইয়ে দেন মোহামেডানের বোলারদের ওপর দিয়ে। এর ঝাপটা কম যায়নি সাকিব আল হাসানের ওপর দিয়েও। শেষ পর্যন্ত ৩.৪ ওভারে ৬৮ রান তুলে ফেলা জুটি এই অলরাউন্ডারই ভাঙেন। ম্যাচসেরা ইমরানের বিদায়ের পর অবশ্য পরের ২.১ ওভারে আর মাত্র ১০ রান যোগ করতে পারে দোলেশ্বর। কিন্তু ৭৯ রানের লক্ষ্যে নামা মোহামেডানকে প্রথম ওভারেই টুঁটি চেপে ধরেন বাঁহাতি পেসার শফিকুল ইসলাম। প্রথম তিন বলের মধ্যে দুই ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন ও শুভাগত হোমকে তিনি খালি হাতে ফেরানোর পর সাকিব (১৪ বলে ২২) ও নাদীফ চৌধুরী (১১ বলে ১৬) চাহিদানুযায়ী রানের গতি তুলতে পারেননি। এর উল্টো চেহারা মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে মুশফিক-মোসাদ্দেকের ব্যাটে। সৌম্য সরকারের (৫০ বলে ছয় চার ও দুই ছক্কায় ৬৭) ও মেহেদী মারুফের (৩২ বলে সাত চার ও এক ছক্কায় ৪৩) ৭৮ রানের দারুণ সূচনা পাওয়া গাজী পরে পথ হারায়। ১৫১ রানের লক্ষ্য পাওয়া আবাহনী ৪৮ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বসার পর এক পর্যায়ে ওভারপ্রতি ১০ রানের প্রয়োজন দেখা দেয়। দারুণ সব স্ট্রোকে সেই চাহিদাও অবলীলায় মিটিয়ে ফেলেন লিগে দ্বিতীয়বার ম্যাচসেরা হওয়া মুশফিক (৩৫ বলে চার চার ও এক ছক্কায় ৫৩*) ও মোসাদ্দেক (২৮ বলে চার চার ও তিন ছক্কায় ৫০*)।

বৃষ্টি থামার পর শুরু হলো চার-ছক্কার বৃষ্টি। ছয় ওভারে নেমে আসা ম্যাচে সে বৃষ্টি ঝরল প্রাইম দোলেশ্বরের দুই ওপেনার ইমরানুজ্জামান ও শামীম হোসেনের ব্যাটে। kalerkanthoতাতে মাত্র ২.৪ ওভারেই দল ৫০ পেরিয়ে যাওয়ার পর অবশ্য রান সংগ্রহ গতি হারাল কিছুটা। তবুও তাঁদের ৭৮ রান মোহামেডানের জন্য ‘বহু দূরের পথ’ বলেই প্রমাণিত হলো। ২২ রানের হার তো বলছে সে কথাই! আগের দিন আবাহনী ও মোহামেডানের হারে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে পৌঁছে যাওয়া দোলেশ্বর পাঁচ ম্যাচে টানা চতুর্থ জয়ে (একটি ম্যাচ বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত) তাই শীর্ষস্থান মজবুত করল আরো। সমান সংখ্যক ম্যাচে মোহামেডানের টানা দ্বিতীয় হারের দিন অবশ্য জয়ে ফিরেছে আবাহনী। এর আগেও দুই ম্যাচে জয়ের নায়ক মুশফিকুর রহিম চলতি ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে (ডিপিএল) করলেন তাঁর প্রথম ফিফটি। ফিফটির দেখা পেলেন রানে না থাকা মোসাদ্দেক হোসেনও। তাঁদের অবিচ্ছিন্ন ১০৫ রানের জুটিতে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সকে অনায়াসে ৭ উইকেটে হারিয়ে পাঁচ ম্যাচে চতুর্থ জয় তুলে নিল বর্তমান চ্যাম্পিয়নরাও।

টানা তিন ম্যাচ জেতা মোহামেডানকে আগের দিন হারানো শেখ জামাল ধানমণ্ডি অবশ্য কাল উড়ে গেল রনি তালুকদারের ব্যাটে। তাঁদের ৭ উইকেটে হারিয়ে পাঁচ ম্যাচে চতুর্থ জয় তুলে নিল প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব। ১ রানে ৩ উইকেট নিয়ে বাঁহাতি স্পিনার নাবিল সামাদ লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জকে দেখালেন প্রথম জয়ের মুখ। ১২ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে তাঁরা ১৪ রানে হারিয়েছেন শাইনপুকুরকে। দলের বিপর্যয়ে ব্যাট হাতে ফিফটি করে ত্রাণকর্তা রাহাতুল ফেরদৌস এরপর বাঁহাতি স্পিনেও দেখালেন ঝলক, নিলেন ৪ উইকেট। তাঁর অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে পারটেক্সকে ৩৩ রানে হারিয়ে পাওয়া তৃতীয় জয়ে ব্রাদার্স পয়েন্ট তালিকায় জায়গা করে নিল দোলেশ্বর, প্রাইম ব্যাংক ও আবাহনীর ঠিক পরেই। আগের দিন আবাহনীকে হারিয়ে উল্লাস করা খেলাঘর পরদিনই ডুবল ওল্ড ডিওএইচএসের কাছে ১৬ রানে হারের বেদনায়।

বিকেএসপিতে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা ইমরানুজ্জামান (১৪ বলে দুই চার ও পাঁচ ছক্কায় ৪১) ও শামীম (১৬ বলে এক চার ও দুই ছক্কায় ২৯*) ঝড় বইয়ে দেন মোহামেডানের বোলারদের ওপর দিয়ে। এর ঝাপটা কম যায়নি সাকিব আল হাসানের ওপর দিয়েও। শেষ পর্যন্ত ৩.৪ ওভারে ৬৮ রান তুলে ফেলা জুটি এই অলরাউন্ডারই ভাঙেন। ম্যাচসেরা ইমরানের বিদায়ের পর অবশ্য পরের ২.১ ওভারে আর মাত্র ১০ রান যোগ করতে পারে দোলেশ্বর। কিন্তু ৭৯ রানের লক্ষ্যে নামা মোহামেডানকে প্রথম ওভারেই টুঁটি চেপে ধরেন বাঁহাতি পেসার শফিকুল ইসলাম। প্রথম তিন বলের মধ্যে দুই ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন ও শুভাগত হোমকে তিনি খালি হাতে ফেরানোর পর সাকিব (১৪ বলে ২২) ও নাদীফ চৌধুরী (১১ বলে ১৬) চাহিদানুযায়ী রানের গতি তুলতে পারেননি। এর উল্টো চেহারা মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে মুশফিক-মোসাদ্দেকের ব্যাটে। সৌম্য সরকারের (৫০ বলে ছয় চার ও দুই ছক্কায় ৬৭) ও মেহেদী মারুফের (৩২ বলে সাত চার ও এক ছক্কায় ৪৩) ৭৮ রানের দারুণ সূচনা পাওয়া গাজী পরে পথ হারায়। ১৫১ রানের লক্ষ্য পাওয়া আবাহনী ৪৮ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বসার পর এক পর্যায়ে ওভারপ্রতি ১০ রানের প্রয়োজন দেখা দেয়। দারুণ সব স্ট্রোকে সেই চাহিদাও অবলীলায় মিটিয়ে ফেলেন লিগে দ্বিতীয়বার ম্যাচসেরা হওয়া মুশফিক (৩৫ বলে চার চার ও এক ছক্কায় ৫৩*) ও মোসাদ্দেক (২৮ বলে চার চার ও তিন ছক্কায় ৫০*)।



পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)